আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ৭ই মার্চ উদযাপন করা হচ্ছে। এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন নাসিক ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক, তাঁতখানা এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শিহাব উদ্দিন রিপন। এছাড়াও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ও সাবেক সংসদ সদস্য একেএম শামসুজ্জোহার সহধর্মীনি, রত্নগর্ভা মা নাগিনা জোহার আজ ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে। আজ এক বার্তায় শিহাব উদ্দিন রিপন বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বজ্রকণ্ঠে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন।
পুরো বাঙালি জাতি সেদিন মন্ত্রমুগ্ধের মতো অবগাহন করেছিলো রাজনীতির মহাকবি বঙ্গবন্ধুর অমর কবিতা। মাত্র ১৮ মিনিটের এই মহাকাব্যে ধ্বনিত হয়েছিল বাঙালি জাতির মুক্তির মহামন্ত্র। বঙ্গবন্ধুর শাণিত ও প্রদীপ্ত উচ্চারণে কেঁপে উঠেছিল পাকিস্তানি স্বৈরশাসকের মসনদ। মূলত ৭ মার্চের ভাষণেই নিপীড়িত-নির্যাতিত বাঙালি জাতি খুঁজে পেয়েছিল শোষণমুক্তির কাক্সিক্ষত পথ। তাই ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির জন্য পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির মহাকাব্য। ৭ই মার্চের ভাষণকে আজ ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে। বহু কালজয়ী নেতাদের ভাষণ সংরক্ষণ করা আছে কিন্তু কারো ভাষণই ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয় নাই। এই ভাষন ৮টি ভাষায় এই ভাষণটি অনুবাদিত হয়েছে। এটি জাতির মুক্তির সনদ ছিলো।” আজ ৭ই মার্চ যেমন বিশ্বস্বীকৃতি পেয়েছে, তেমনি স্বাধীনতা অর্জনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অন্য দিবস বা ঘটনাগুলোও সামনের দিনগুলোতে জাতীয় জীবনে বিশেষ করে আমাদের কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। সাথে আজ রত্নগর্ভা মা নাগিনা জোহার ৮ম মৃত্যু বার্ষিকীতে মরহুমার বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করি। উল্লেখ্য, রত্নগর্ভা মা নাগিনা জোহা ২০১৬ সালের ৭ মার্চ তিনি মারা যান। তিনি ছিলেন ভাষাসৈনিক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য একেএম সামসুজ্জোহার সহধর্মিণী। তার তিন ছেলে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সেলিম ওসমান ও ছোট ছেলে একেএম শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আসন থেকে একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ