মহানগন বিএনপির সদস্য সচিব এর বর্ডিগাড পরিচয়ে গলাচিপা থান-কাপড় মাকের্ট এলাকায় ঈদ আনন্দের নামে ব্যপক চাদাঁবাজির অভিযোগ উঠেছে বরিশাইল্যা আরিফ ও রাকিবের বিরুদ্ধে, প্রতিদিন সকাল থেকে দিগুবাজারে ও বিকেলে ফুটপাতে ব্যপক চাঁদাবাজী করছে এই বরিশ্যাল্লা আরিফ ও রাকিব।এলাকাবাসী যে কোন সময় এই দুই সন্ত্রাসীকে গনধোলাই দেওয়ার প্রস্ততি গ্রহন করেছে।এলাকাবাসী জানান যে, ইয়াবা বিক্রেতা চাঁন্দবাজ একাধিক মাদক মামলার আসামী বরিশ্যাল্লা আরিফ ও রাকিব এর জ¦ালায় পুরো এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। এর আগে গলাচিপা এলাকার গৃহবধূ মাকসুদা আক্তারকে গুরুতর আহত করে বরিশ্যাল্লা মাদক বিক্রিতে আরিফ ও রাকিব বন্দরে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে গলাচিপা ডি এন রোড এলাকার মৃত মানিক মিয়ার কন্যা মাকসুদা বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলে। এছাড়াও রাতের বেলায় উকিলপাড়া এলাকার মোবাইল ছিনতাইকারীর মূল হোতা এই বরিশ্যাল্লা আরিফ, রাকিব। উভয় পিতাঃ মৃতঃ কালাম, মাতাঃ মাহমুদা, উভয় সাংঃ গলাচিপা ডি এন রোড এলাকার উক্ত বিবাদীগণদের মামা শহীদ আওয়ামী লীগ করত এবং সে এখনও দুই মাস যাবৎ জেলখানায় রয়েছে। এর জের দরে কয়েক দিন আগে গলাচিপা বিএনপি অফিসে হামলা চালায় এই মাদক ব্যবসায়ী বরিশ্যাল্লা আরিফ ও রাকিব গং।এ বিষয়ে ১৩ নং সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: হারুন শেখ জানান, বিএনপিতে চাদাঁবাজের কোন পরিচয় নেই. ওরা মাদক বিক্রেতা বিএনপির কেউ না, বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ কোন চাদাঁ বাজি, ধান্দা বাজি করলে তাকে পুলিশে সোর্পদ করেন না হলে আমাদের ফোন দিবেন আমারা এসে সেই চাদাবাজকে পুলিশে দিব। এ বিষয়ে গলাচিপা এলাকাবাসী বলেন বরিশ্যাল্লা হয়েও আরিফ ও রাকিব কার প্রভাবে এমন করছে সে টা সবাই জানে, কোন এক সময় এমন হবে তাদের পিটিয়ে মেরে ফেললেও কেউ ওদের বাঁচাতে আসবে না। এই এলাকাতেই দেখলাম বরিশ্যাল্লাদের এত প্রভাব দেখায়। যত দ্রত এই বরিশ্যাল্লাদের আইনের আওয়ায় আনা উচিৎ আর না হয় যে কোন সময় সংর্ষের আংশকা করছেন এলাবাবাসী।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ