ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নারায়ণগঞ্জের কিল্লারপুল এনওসিএস কার্যালয়ের যে ৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, প্রতারণা এবং গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল তা মিথ্যা ও ভুয়া। ডিপিডিসির নিয়মিত গ্রাহক উজ্জল মিয়া (গ্রাহক নম্বর: ৩৯৬১০২৩১) এই অভিযোগ দেয় নি বলে জানান বিদেশে থাকা উজ্জল মিয়ার ছোট ভাই সুমন মিয়া বর্তমানে তিনি বাড়ীর দেখাশোনা করেন। তার ভাড়াটিয়া প্রতারক ও বাটপার, চিটার মো. বাদল সরকার, পিতা মো. মানিক সরকার, বাড়ীবাড়া অনেক টাকা বকেয়ে পড়ে যাওয়ায় আগের বরখাস্ত কৃত মিটার রিডার তাসজিদ আহমেদ শামীমের যোগসাযোগে বাড়ীর বিদ্যু বিল বকেয়া দিতে না পেরে ষড়যন্ত্র মুলুক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর বরাবর একটি মিথ্যা ও ভুয়া লিখিত অভিযোগের আবেদন করেছিলেন। গত ১৩/২/ ২০২৬ ইং উজ্জল মিয়ার ছোট ভাই সুমন মিয়া কিল্লারপুল এনওসিএস কার্যালয়ের এসে অঙ্গীকারনামায় সাক্ষর করে ৭০,৭৬১ টাকা বকেয়া থেকে কিস্তি করে ২০ হাজার টাকা দিয়ে পুন্নরায় সংযোগ চালু করেন। গত ১৮ ফের্রুয়ারী নারায়নগঞ্জের স্থানীয় পত্রিকায় ও নরায়ণগঞ্জের একটি অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদ টি ভুয়া ও মিথ্যা কাল্পনীক বলে দাবী করেছেন কিল্লারপুল এনওসিএস কার্যালয়ের ৪ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী, তারা হলেন রফিকুল ইসলাম সুপারভাইজার, নুরে আলা মিটার রিডার, আশরাফ- মিটার রিডার ও সেলিম উদ্দিন মিটার রিডার। তারা এক বিবৃতীতে বলেন, ডিপিডিসির একজন ভুয়া গ্রহক সেজে আমাদের কাছে অনৈতিক সুবিধা চেয়ে না পেয়ে উল্টে আমাদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করে হয়রানির করছেন।আমাদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, প্রতারণা এবং গ্রাহক হয়রানির যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা ভিত্তিহীন। বিদ্যুৎ বিলের ট্যারিফ পরিবর্তন বা জরিমানা মওকুফের নাম করে সেই গ্রাহকের কাছ থেকে কোন অর্থ দাবি করা হয়নি। সংবাদে দাবী করা হয়েছে জরিমানার ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে আদায় করা হয়েছে যা মিথ্যা কাল্পনীক বলে তারা দাবী করেন। একটি কু-চক্রী মহল আমাদের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে সমাজের কাছে কি ভাবে আমাদের ছোট করা যায়। আমরা এই ভুয়া মিথ্যা ও কাল্পনীক মনগড়া প্রকাশিত সংবাদের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ