বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, পিআর পদ্ধতির নির্বাচন স্বৈরাচারের ষড়যন্ত্র, ভারতের ষড়যন্ত্র। যাদের বাংলাদেশে ভোট নেই, জনগণ যাদেরকে সমর্থন করে না, তারাই সংখানুপাতিক ভোট চান। যারা ফিলিস্তিনে মানুষ হত্যা করছে, সেই ইসরাইল সংখানুপাতে নির্বাচন করে। সংখানুপাতে ভোটের নামে প্রস্তাব আমরা মেনে নেব না। আজ শুক্রবার (২২ আগষ্ট) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মালির অংক বাজারে নির্বাচনী পদযাত্রা শেষে এক বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. রিপন আরও বলেন, ২০২৪ সালে ৩৬ দিনে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ ২০০০ মানুষকে হত্যা করেছে ২০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করেছে এত মানুষের প্রাণহানি ও পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা আর স্বৈরাচারী ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারি না। পলাতক স্বৈরাচারের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। বিএনপি পলাতক আওয়ামী লীগের কোনো সদস্যকে বাংলাদেশে পুনর্বাসিত হতে দেবে না।
আসাদুজ্জামান রিপন আরও বলেন, সরকারকে বলতে চাই আপনাদের পেছনে জনগণ আছে। অনতিবিলম্বে যাদের ভোট নেই, দলের নিবন্ধন নেই, যাদের সরকারের প্রতি আস্থা নেই, এসব মানুষের কথা আস্থায় না নিয়ে ভোটের আয়োজন করুন। ভোটের ঘণ্টা কিন্তু বেজে গেছে। আজ মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে পদযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আমরা ভোটের রাজনীতি শুরু করলাম। গত ১৭ বছর বাংলাদেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তাই আমরা জনগণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপি চাই, নির্বাচিত সংসদ চাই, নির্বাচিত সরকার চাই। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের নির্বাচনে আমাদের দল বিএনপি যদি জয়যুক্ত হয় তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো, বাংলাদেশে জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবো, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবো।
এদিন বিকাল ৫ টায় উপজেলার ঘোড়দৌড় বাজার থেকে নির্বাচনী পদযাত্রা শুরু হয়। ড. আসাদুজ্জামান নেতৃত্বে নির্বাচনী পদযাত্রা মিছিলটি মালির অংক বাজারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে একটি ট্রাকের উপর অস্থায়ী মঞ্চে তিনি বক্তৃতা করেন। নির্বাচনী পদযাত্রায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও ড. রিপনের প্রায় তিন হাজার সমর্থক দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যানার, ফেস্টুন ও ব্যান্ডপার্টি নিয়ে পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।##
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ