জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হচ্ছেন জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি। জাতীয় পার্টির নিবন্ধন নম্বর ১২। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপিই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এবং আমি (মুজিবুল হক চুন্নু এমপি) মহাসচিব।’ আজ রবিবার দুপুর ২টায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, ‘বেগম রওশন এরশাদের ঘোষণা আমরা আমলে নিচ্ছি না। অনিয়ম বা গঠনতন্ত্রের বাইরে মনের মাধুরী মিশিয়ে যে কেউ যা খুশি বলতে পারে, এ নিয়ে আমাদের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রে এমন কোনো ধারা নেই, যে ধারার ক্ষমতায় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিব বা অন্য কাউকে পদ থেকে বাদ দিতে পারে। এমন কিছু আমাদের গঠনতন্ত্রে নেই। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো তিনি আমাদের বাদ দিয়েছেন। এর আগেও দুইবার আমাদের বাদ দিয়ে তিনি সেই চিঠি প্রত্যাহার করেছেন। তাই পার্টির মহাসচিব হিসেবে বেগম রওশন এরশাদের ঘোষণা নলেজে নিচ্ছি না। এই সিদ্ধান্তের কোনো ভিত্তি নেই, এটি অগঠনতান্ত্রিক। অপর এক প্রশ্নে জবাবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব বলেন, ‘বেগম রওশন এরশাদ হচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের স্ত্রী, আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা করি। সে কারণেই তাঁকে জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক করা হয়েছে। তাঁর দলীয় বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নেই। প্রধান পৃষ্ঠপোষক পদটি হচ্ছে আলংকারিক পদ। এই পদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার দরকার নেই। যারা দলের সাথে নেই, পদ-পদবি নেই তাদের কোনো কথার গুরুত্ব আছে বলে মনে করি না। দলের কোনো বিষয়ে কিছু বলার সুযোগ নেই প্রধান পৃষ্ঠপোষকের।’চুন্নু বলেন, ‘আমাদের দলের প্রেসিডিয়াম ও নির্বাহী কমিটির মিটিং ডাকা হবে, সেখানে বিশ্লেষণ করা হবে আমাদের রাজনীতি ও নির্বাচন নিয়ে। জাতীয় পার্টি গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম, নির্বাহী কমিটি, জেলা কমিটি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছে।’