1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেট-এ-ওয়ান পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মত বিনিময় সভা// ট্যাংকলরী মালিক শ্রমিকের সমস্যা সরকারের সাথে আলোচনা করে সমাধানের আশ^াস দিলেন কাবুল জেলা বিএনপি সদস্য অকিল ভুইয়ার সভাপতিত্বে সিদ্ধিরগঞ্জে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্টানে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা না.গঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান পদে রাজিব নিয়োগ পাওয়ায় নাসিক ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র পক্ষ থেকে মোর্শারফ হোসেনের অভিনন্দন না.গঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান পদে রাজিব নিয়োগ পাওয়ায় মহানগর শ্রমিকদলের পক্ষ থেকে এসএম আসলামের অভিনন্দন লৌহজংয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা লৌহজংয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় স্মার্ট মোবাইলের জন্য পিতাকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় ছেলে ও মাকে আসামী করে মামলা দায়ের চিকিৎসা শেষে এমপি মান্নান চায়না থেকে দেশে ফিরে আসায় নাসিক ৬নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা মিন্টুর শুকরিয়া আদায়ে দোয়া লৌহজংয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ৬

১৩ শিক্ষকের ১৪ শিক্ষার্থী, সবাই ফেল

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ঘগোয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৪ শিক্ষার্থী অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছে সব পরীক্ষার্থী। এই বিদ্যালয়ে ১৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এ নিয়ে চলছে বিস্তর সমালোচনা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ফলাফল বিপর্যয়ের জন্য বাল্যবিয়ে, চরাঞ্চলের কমমেধাবী ও দিনমজুর পরিবারের শিক্ষার্থী, প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতাকে দায়ী করা হয়েছে। আর ফেল করা শিক্ষার্থীরা হতবাক। প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে ওই স্কুল থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থী দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তারা সকলে মানবিক শাখার শিক্ষার্থী ছিল। এদের মধ্যে ৮ জন শিক্ষার্থী ছিল বিবাহিত।

অভিভাবক মো. আব্দুল মান্নান জানান, ৩০ বছর ধরে স্কুলটি থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে মেয়েরা। কোন বার এমন ফলাফল হয়নি। তিনি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল হাকিম মিয়া বলেন, ‘চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাই। বেশ কয়েক মাস স্কুলটিতে নানা জটিলতা ছিল। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮ জন বিবাহিত। এছাড়া শিক্ষার্থীরা ছিল অত্যন্ত দুর্বল মেধার। এমনকি নিয়মিত স্কুল পর্যন্ত করেনি তারা। শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাব ছিল না। তবে এত কিছুর পরও   ফলাফল বিপর্যয়ের বিষয়টি রহস্যজনক।’ জেলা শিক্ষা অফিসার মোছা. রোকসানা বেগম জানান, প্রধান শিক্ষককের কাছে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গাইবন্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুশান্ত কুমার মাহাতো কালের কণ্ঠকে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। যদি শিক্ষকদের গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park