স্কুলে ৮ম এবং নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় তাদের বিয়ে হয়। এদের মধ্যে একজনও পাস করেনি। তবে আগের তিন বছরের ফলাফলে দেখা গেছে, ২০২৩ সালে ১৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন, ২২ সালে ২১ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৭ জন এবং ২১ সালে ১৬ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৩ জন। চলতি বছর এমন ফলাফল বিপর্যয় নিয়ে লজ্জিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, উপজেলার তিস্তা নদী বেষ্টিত তারাপুর ইউনিয়নের ঘগোয়া গ্রামে নারী শিক্ষা প্রসার ঘটানোর জন্য ১৯৯৪ সালে স্থানী দের চেষ্টায় স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৪ সালে মাধ্যমিক এই স্কুলটি এমপিও ভুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী রয়েছেন। সরকারিভাবে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতিমাসে এমপিও এর মাধ্যমে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৭৪৬ টাকা দেন। সরকারের এত সহযোগিতার পরও কেন এই অবস্থা তা বোধগম্য নয়। ফেল করা শিক্ষার্থী বৃষ্টি রানী জানান, গণিত পরীক্ষা তার ভাল হয়েছিল। কিন্তু ফলাফলে ফেল আসছে। উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করা হবে। বিয়ের পর স্বামীর সংসার নিয়ে ব্যস্ততায় তিনি নিয়মিত স্কুলে যেতে পারেননি। পরীক্ষায় পাস করার মত উত্তর তিনি দিয়েছেন।