ভোর থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে রাজধানীর শাহবাগ, গ্রিনরোড, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, পান্থপথ, উত্তরা, বনানী, জাহাঙ্গীর গেট, মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোড, শান্তিনগর, বিজয়নগর, বসুন্ধরা, বিজয় সরণি, বাংলা মোটর, ধানমন্ডি, আফতাবনগর, বাড্ডা, আজিমপুর এলাকায় জলাবদ্ধতার খবর পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী অনেকে বলছেন, টানা বৃষ্টিতে ঢাকার সড়কে পানি জমে নৌকা চলার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে। এতে বিভিন্ন প্রয়োজনে বের হওয়া নগরবাসী ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
ছুটির দিন হওয়ায় শুক্রবার সকালে বাইরে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা অন্যদিনের চেয়ে কম। তবে সকালে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা থাকায় এতে অংশগ্রহণকারীদের বিপাকে পড়তে হয়। বৃষ্টির সঙ্গে যানবাহনের স্বল্পতায় পড়তে হয় অনেককে। সকাল ৯টা থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে অনেকেই যথাসময়ে বাসা থেকে বের হতে পারেননি।
আবার এই সুযোগে সিএনজি-রিকশাচালকরা ভাড়া দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়ায় গন্তব্যে যেতে হয়েছে তাদের।
দেশে মৌসুমি এই বায়ুর প্রভাব যথেষ্ট রয়েছে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর কারণেই আসলে এখনকার বৃষ্টিপাত। এ বছর নির্দিষ্ট সময়ের একদিন আগে অর্থাৎ ৩০ মে মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশ করে। এরপর বৃষ্টি শুরু হলেও জুন মাসে যেমন বৃষ্টি হয়েছে তেমনি আবার গরম পড়েছিল খুব। জুন মাসে সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগ বাদ দিয়ে সব বিভাগেই স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর তাদের এই মাসের পূর্বাভাসে বলেছে, এই মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হবে। বিভিন্ন স্থানে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ