সোনারগাঁ উপনির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে ২ গ্রæপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১ যুবক নিহত ও পুলিশসহ মোট ২০জন আহত হয়েছে। শনিবার (৯ মার্চ) বিকেলে সোনারগায়ের পিরোজপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ৬৯নং দুধ ঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনায় পুলিশ ১০ রাউন্ড টিয়ারসেল ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করে। নিহত যুবক হলেন, পিরোজপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে এলাকার আমির ভূইয়ার ছেলে হৃদয় (২২)। নিহত যুবক উপনির্বাচনী প্রতিদ্ব›িদ্ব কায়সার আহম্মেদ রাজুর সমর্থক বলে জানা যায়। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন কামাল ভূইয়ার ছেলে ফারুক ভূইয়া (৪৫)। প্রত্যাক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল থেকেই ভোট গ্রহণ চলে। শেষে আজিজ সরকার মোরগ প্রতীকে ৯২৯ ভোট ও তালা প্রতীকে কায়সার আহম্মেদ রাজু ৮১১ ভোট পান। এসময় ফলাফল জানার পর ওই কেন্দ্রের প্রিজাইর্ডিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমানকে পুনরায় ভোট গননার অনুরোধ করেন। পুনরায় ভোট গননা করে রাজুর পক্ষে এক ভোট যুক্ত হয়। এ নিয়ে রাজুর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। রাজু প্রিজাইর্ডিং কর্মকর্তাকে তৃতীয় দফায় ভোট গননা করতে দাবি করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এক সময় হটাৎ গোলাগুলি শুরু হয়ে। সংর্ঘষে আজিজ গ্রæপের গুলিতে ১জন নিহতসহ ২ জন আহত হয় বলে জানা যায়। তাছাড়া ভোট কেন্দ্রের ব্যালট বক্সসহ নির্বাচনের সরঞ্জাম ভাংচুর করা হয়। এদিকে নিহত হৃদয়ের মা জানায়, আব্দুল আজিজ আমাদের হৃদয়কে গুলি করে মেরে ফেলেছে। আমার বুক খালি করেছে ওই আজিজ। আমি এই হত্যার বিচার চাই।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ