সোনারগাঁয়ে গ্রেপ্তারকৃত নারী মাদক মামলার আসামীর কাছ থেকে আড়াই হাজার ইয়াবা অন্যত্রে সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে সোনারগাঁ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রতনের বিরুদ্ধে। গত ১৯ এপ্রিল শনিবার বিকেলে সাড়ে তিন হাজার ইয়াবাসহ সীমা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে। তার পর এক হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে সীমাকে আদালতে সোপর্দ করে দারোগা রতন। থানা থেকে ইয়াবা গায়েবের ঘটনায় সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। গত শনিবার বিকেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকা থেকে সীমা আক্তারকে সাড়ে তিন হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সূত্রে জানাগে গ্রেফতারকৃত সীমা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার গলাচিপা কলেজ রোড এলাকার মৃত রহমান মিয়ার মেয়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, সোনারগাঁও থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রতন সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গত শনিবার বিকেলে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁও থানাধীন মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হয়। এসময় সীমা আক্তার নামে এক নারীকে তল্লাশি করে তার দেহ থেকে সাড়ে তিন হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ সীমাকে থানা নিয়ে গেলেও পরদিন রোববার এক হাজার পিছ ইয়াবা জব্দ দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করেন। সোনারগাঁও থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রতনের বিরুদ্ধে আড়াই হাজার পিছ ইয়াবা গায়েব করেছে বলে সর্বত্র এখন আলোচনা সমালোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিনত হয়েছে। এসআই রতন বলেন, আসামি কি বলেছে। এগুলো আমল যোগ্য নয়। সীমার কাছ থেকে এক হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এক হাজার পিছ জব্দ করা হয়।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ