সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে আসছেন নানান বয়স ও পেশার মানুষ। নিজের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিচ্ছেন শান্তিপূর্ন পরিবেশে। তবে কেন্দ্রে আলোড়ন ছড়াচ্ছে নতুন ভোটাররা। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পারায় বেশ আনন্দঘন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন তারা। আঙ্গুলে কালি নিয়ে উদ্দীপনার সাথে ত্যাগ করছেন ভোট কেন্দ্র।
বুধবার (৮ মে) কিছুটা এমনই দৃশ্য লক্ষ করা যায় বন্দরের বেশ কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে। প্রিয় প্রার্থীকে ভোট দিয়ে কেন্দ্রের বাহিরে এসে আঙ্গুলের ছবি তুলে আপলোড দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
এসময় ধামঘর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালযয়ে ভোট কেন্দ্রে আসা নতুন ভোটার তাহমিনা খানম (২৪) বলেন, মায়ের সাথে এসেছি ভোট দিতে। খুব শান্তিপূর্ন ভাবেই ভোট দিয়েছি। আমার পছন্দের প্রার্থীকেই ভোট দিতে পেরেছি। ভোট দিয়ে খুব ভালো লাগছে।
আরেকজন নতুন ভোটার রাকিব বলেন, বাবা আর আমার ভাইকে দেখতাম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং উপজেলা নির্বাচনে ভোট দিতে। তাদের দেখে আমারও একটু ইচ্ছে করতো। আজ আমি প্রথমবার ভোট দিতে পারায় খুবই ভালো লাগছে। ভেঅট দেওয়ার সময় কোন রকমের চাপ ছিলো না। ভোট কক্ষের ভিতরে অফিসাররা ও বাহিরের পুলিশ-আসার সদস্যরা অনেক সহোযোগিতা করেছেন। সব মিলিয়ে এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা হলো।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে সকালে থেকে ভোটার উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে ভোটের সংখ্যা। বিভিন্ন ইউনিয়নে মোট ৫৪টি কেন্দ্রে এ ভোট গ্রহণ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে, চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত। ভোট কেন্দ্রগুলোতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া বিজিবি টিম বন্দরের প্রতিটি কেন্দ্রে টহল দিচ্ছেন। সকাল থেকেই শৃঙ্খলা মেনে কেন্দ্রে আসছেন ভোটাররা। বিভিন্ন কেন্দ্রে শারীরিক প্রতিবন্ধী, নতুন ভোটার ও বৃদ্ধদের ভোট প্রদান পরিলক্ষিত হয়েছে।
এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জনসহ মোট ১০ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এ উপজেলায় ৫৪ কেন্দ্রে র ৩৫৭টি কক্ষে ১ লাখ ৩১হাজার ৫৬৪ জন ভোটার ভোট দিবেন।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ