1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেট-এ-ওয়ান পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মত বিনিময় সভা// ট্যাংকলরী মালিক শ্রমিকের সমস্যা সরকারের সাথে আলোচনা করে সমাধানের আশ^াস দিলেন কাবুল জেলা বিএনপি সদস্য অকিল ভুইয়ার সভাপতিত্বে সিদ্ধিরগঞ্জে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া অনুষ্টানে উজ্জীবিত নেতাকর্মীরা না.গঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান পদে রাজিব নিয়োগ পাওয়ায় নাসিক ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র পক্ষ থেকে মোর্শারফ হোসেনের অভিনন্দন না.গঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) চেয়ারম্যান পদে রাজিব নিয়োগ পাওয়ায় মহানগর শ্রমিকদলের পক্ষ থেকে এসএম আসলামের অভিনন্দন লৌহজংয়ে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা লৌহজংয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় স্মার্ট মোবাইলের জন্য পিতাকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় ছেলে ও মাকে আসামী করে মামলা দায়ের চিকিৎসা শেষে এমপি মান্নান চায়না থেকে দেশে ফিরে আসায় নাসিক ৬নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা মিন্টুর শুকরিয়া আদায়ে দোয়া লৌহজংয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার লৌহজংয়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক ৬

দুই দিক থেকে দুই রাজাকারের বংশধর দাড়িয়েছে, ওরা পুরা বন্দর উপজেলাটাকে পাকিস্তান বানাতে চায়: এড. খোকন সাহা

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা বলেছেন, আমার কিন্তু নদীর পশ্চিমপাড় থেকে এখানে আসার কথা না। আমি এ অঞ্চলের ভোটার না। বিবেকের তাড়নায় এখানে এসেছি। তিনি বলেন, আগামী ৮ তারিখে প্রমানিত হবে এ অঞ্চলটা, শুধু এ অঞ্চল না বন্দর জেলার ৫টা ইউনিয়ন মিনি পাকিস্তান হবে না বাংলাদেশ থাকবে। এ অঞ্চলকে যারা ১৯৭১ সালে রক্তে রঞ্জিত করেছে,ব্রক্ষপুত্র, শীতলক্ষ্যা নদীতে হাজার হাজার লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে তাদের সহযোগীতায়। তাদের সন্তানরা আজকে মিনি পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করছে এ অঞ্চলকে। আমরা তাদের অপকর্মের কথা জানি। আমরা তাদের সবকিছু কথা জানি। অনেকে টাকার গাট্টি নিয়ে নেমেছেন। অনেককে নাকি পার্চেস করেছেন। দেখবো ৮তারিখে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি পরাজিত হয় কিনা? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যদি পরাজিত হয়, আমাদের কোন ক্ষতি হবে না। ক্ষতি হবে এ অঞ্চলের। কারণ এ অঞ্চলটা হয়ে যাবে মিনি পাকিস্তান। যেটা ৭১ সালের যুদ্ধের চেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। রাজাকারের বংশ অনেক বিস্তার হয়ে গেছে। অনেক বড় হয়ে গেছে। পরাগাছ থেকে বড় গাছ, বড় গাছ থেকে চুড়া বটগাছে রুপান্তরিত হয়েছে। আর হতে দেয়া যায় না। আপনারা রশিদ ভাই কেন, রশিদ ভাই একজন মুক্তিযুদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের একজন প্রতীক। রশিদ ভাই না, এ অঞ্চলের যারা এখানে এসেছেন, তারা আল্লাহর দিকে চেয়ে বলেন, আপনারা আগামীকাল সকাল থেকে নামবেন, রাজাকারের বংশ আপনারা নি:বংশ করে দিবেন। এতোদিন ওরা মুছাপুরটাকে মিনি পাকিস্তান বানিয়েছিল। এবার চায় ওরা পুরা বন্দর উপজেলাটাকে পাকিস্তান বানাতে। দুই দিক থেকে দুই রাজাকারের বংশধর দাড়িয়েছে। তারা বলেন আমরা রাজাকারের সন্তান, রাজাকাররাই বন্দরে প্রতিষ্ঠিত হবে। এ লজ্জার কথা শুনে ছুটে আসলাম আপনাদের কাছে। নির্বাচনে এমপি সাহেবরা, মন্ত্রী সাহেবরা আসতে পারেনা। একটা কথা মনে রাখবেন স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে এ অঞ্চলে প্রথম উন্নয়নের ছোয়া লেগেছে আমাদের প্রয়াত নেতা বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ একেএম শামসুজ্জোহা। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পরে উন্নয়নের ছোয়া থেকে বঞ্চিত ছিলো। নাসিম ভাই বাংলাদেশে আসলেন। উনি জাতীয় পার্টিতে যোগদান করলেন কেন এটা নেত্রীর বিভিন্ন সময়ের বক্তব্যে আপনারা বুঝে নিবেন। উনি এসে বন্দরের কাজ শুরু করলেন। উনি বন্দরে উন্নয়নের ছোয়া লাগালেন। সেলিম ভাইয়ের মতো উন্নয়ন করতে পারেননি। সেলিম ভাই যে উন্নয়ন বন্দর অঞ্চলে করেছে, সেই সেলিম ভাইয়ের একজন সহযোগী দরকার,  শামীম ওসমান ভাইয়ের একজন সহযোগী দরকার। তাদের সহযোগী কে হবেন? মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের নাকি বিপক্ষের শক্তি। সেটা আপনারা আগামী ৮তারিখে নির্ধারন করবেন। তিনি আবারো অনুরোধ করে বলেন, বন্দর উপজেলাকে মিনি পাকিস্তান বানাবেন না। ঐদিকে দাড়িয়েছে আতাউর রহমান মুকুল। তার বাপ-চাচারা ছিলো রাজাকার। তিনি আরো বলেন, আজকে কিছুক্ষন আগে আমার মায়ের সবচেয়ে বংশধরের মধ্যে আমার চাচাতো ভাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলো। সে অস্ত্রসহ মুক্তিযুদ্ধের শেষপ্রান্তে এখানে অবস্থান করছিলো। হঠাৎ খরব পেলেন তার সাথে থাকার সহযোগীর মায়ের অবস্থা খারাপ। সে কমান্ডারের কাছে ছুটি নিয়ে অস্ত্র জমা দিয়ে তার মাকে দেখতে আসলেন। মাকে দেখতে এসে শুনলেন তার একবোন মুত্যুর পথযাত্রী। তিনি কোথায় থাকতেন। ঐ মুকুলের চাচার বিল্ডিং-এ থাকতেন জালাল হাজী সাহেবের বাড়ীতে। জালাল হাজী সাহেবরা আমার মামাদের সম্পত্তি আত্নসাৎ করতে আমার সেই বোনকে পাকবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আমি এতোদিন সেই কথাটি বলিনি। কারন আমি কখনো আমার ব্যক্তিগত অভিযোগ কখনো নেতাদের সামনে বলিনা। আজকে বলতে বাধ্য হলাম। ওরা কিলার। দুইটা পরিবার মহান মুক্তিযুদ্ধে মানুষ হত্যার সাথে জড়িত। আমার কথাটি যদি মিথ্যা হয় তাহলে আগামীকাল সূর্য উঠার আগে যেনো সৃস্টি কর্তা আমাকে নিয়ে যায়। আমি প্রতিদিন এ অঞ্চলে আসবো বিবেকের তাড়নায়। মুক্তিযুদ্ধের সময় বয়স ছিলো ১১। তাই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে পারিনাই। তবে আমি দেখেছি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে। সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতান বুকে ধারন করে লালন করে আমি আজীবন বেচে থাকবো।যেই নির্বাচনে দেখলাম মুক্তিযুদ্ধার বিরুদ্ধে দুই রাজাকারের পরিবারের সদস্য রয়েছে। তাই বিবেকের তাড়নায় এখানে চলে এসেছি। আগামীতে হয়তো রশিদ ভাইযের পক্ষে নির্বাচনে আসবো না। যেতেহু এবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিপক্ষের শক্তির যুদ্ধ হচ্ছে ভোট যুদ্ধ। আপনারা রশিদ ভাইয়ের জন্য আগামীকাল থেকে নামেন। ঐ রাজাকারদের পরিবারকে উৎক্ষাৎ করার জন্য। শীতলক্ষ্যায় ভোট যুদ্ধে ভাসিয়ে দিয়ে রশিদ ভোইকে জয়ের মালা পড়াবেন। এটার আপনাদের কাছে আমাদের চাওয়া।

আজ শুক্রবার (৩ মে) বন্দর উপজেলার উত্তর কলাবাগ বাবরী মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এক উঠান বৈঠকে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন তিনি। বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ রশিদের বিজয় করার লক্ষ্যে বন্দর ইউনিয়ন কলাবাগ পঞ্চায়েত কমিটির উদ্যোগে এ নির্বাচনী উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বন্দর থানা যুগলীগের নেতা মো. উজ্জ্বল আহাম্মেদ’র সভাপতিত্বে ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মমিনের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ নিজাম, , সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আরমান, বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি গাজী সালাম প্রমূখ।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park