বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকীতে নাসিক ৬নং ওয়ার্ড শ্রমিকদলের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী ও শহীদ জিয়ার আত্নার মাগফিরাত কামনা করেছেন নাসিক ৬নং ওয়ার্ড শ্রমিকদলের সংগ্রামী যুগ্ন-আহবায়ক মকবুল হোসেন বাবু।
গতকাল এক বিবৃতিতে শ্রমিকদল নেতা মকবুল হোসেন বাবু বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিপথগামী উচ্চাভিলাসী সৈনিকের বুলেটে তিনি নির্মমভাবে শাহাদাৎবরণ করেন। ওই সময় তার বয়স ছিল ৪৫ বছর। ঢাকায় মানিক মিয়া এভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত তার স্মরণকালের নামাজে জানাযায় শরিক হন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের অসংখ্য মানুষ। দেশি-বিদেশী গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিল-‘একটি লাশের পাশে সমগ্র বাংলাদেশ’। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক। তার সততা, নিষ্ঠা, গভীর দেশপ্রেম, পরিশ্রমপ্রিয়তা, নেতৃত্বের দৃঢ়তা প্রভৃতি গুণাবলি এদেশের গণমানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করেছিল। একজন পেশাদার সৈনিক ছিলেন তিনি। সাধারণ মানুষের কাছে তার যে গ্রহণযোগ্যতা ছিল অনেক রাষ্ট্রনায়কের ভাগ্যে তা জোটেনি। মাত্র ৬ বছর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি সফল হয়েছিলেন। সাধারণ মানুষ তার ওপর প্রচন্ড আস্থাশীল ছিলেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত তাঁর ওপর মানুষের এই আস্থায় কোন চিড় ধরেনি। ৯ মাসের মুক্তি সংগ্রামে তিনি একটি সেক্টরের অধিনায়ক হিসেবে সমরনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বীরোত্তম খেতাব লাভ করেন। এক ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী। পরিশেষে তিনি বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ্যতা কামনা করেন। এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ কামনা করেন।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ