অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের তলব করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বেনজীর এবং রোববার (৯ জুন) তার স্ত্রী-সন্তানদের দুদক কার্যালয়ে তলব করা হয়েছিল। তবে এই সময়ের মধ্যে হাজির হতে পারবেন না জানিয়ে দুদকে সময়ের আবেদন করেছেন বেনজীর আহমেদ। বুধবার ১৫ দিন সময় চেয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে এ আবেদন করেন তিনি।
২৭ মে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছিলেন, বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হবে কিনা তা তদন্ত কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। প্রয়োজন মনে করলে আদালতে বেনজীর আহমেদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাইবেন তদন্ত কর্মকর্তা। তদন্তে আরো অপরাধলব্ধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেলে সেগুলো জব্দে আদালতে আবেদন করা হবে। গত ২৩ মে বেনজীর আহমেদের সম্পত্তির ৮৩টি দলিল জব্দের আদেশ দেন আদালত। সঙ্গে ৩৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশও দেওয়া হয়। এরই মধ্যে এসব সম্পত্তি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুদক।
এর দুদিন না যেতেই ২৬ মে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের ১১৯টি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আসে আদালত থেকে। এছাড়া রাজধানীর গুলশানের আলিশান ৪টি ফ্ল্যাট, শতভাগ এবং আংশিক মালিকাধীন ২৩ কেম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি বেনজীর আহমেদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের খোঁজ পাওয়া যায়। এরপর থেকেই বেশ আলোচনায় সাবেক এ আইজিপি।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ