1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মহানগর কৃষকদল নেতা স্বপন ও ফয়সালের নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাস্তায় দাড়িয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন মহানগর কৃষকদলের নেতৃবৃন্দ বালিগাঁওয়ে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিংয়ে জনদুর্ভোগ: বায়পাস সড়ক না থাকায় কাঙ্খিত সুফল মিলছে না সেতুতে লৌহজংয়ে ডহরি-তালতলা খাল দিয়ে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ ঘোষণা ড্রেনেজ ব্যবস্থা, রাস্তা সংস্কার ও সোলার লাইট স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন মুন্সীগঞ্জে ডহরি-তালতলা খালে যৌথ অভিযান: ৫ বাল্কহেড ও ১ ড্রেজার জব্দ লৌহজংয়ে বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজি ও বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ মাসুম প্রধান ও সুমন প্রধানের সার্বিক সহযোগীতায় চৌধুরীবাড়ী ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত লৌহজংয়ে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ টঙ্গীবাড়ীতে প্রবাসীর বাড়ি দখলে নিয়ে কেয়ারটেকারকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি সৎ সাংবাদিকতাকে আজ সুরক্ষা দিতে হবে অসৎ সাংবাদিকতার হাত থেকে -মুন্সীগঞ্জে তথ্যমন্ত্রী

ফতুল্লায় দুই এসআইকে টাকা না দিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী!

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

পাওনা টাকা আদায়ে আদালতে মামলা করেও তা এখনও পর্যন্ত আদায় করতে পারেনি। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ হোসেন মোকাম বিজ্ঞ সি,এম,এম আদালত ঢাকায় একটি সিআর মামলা যার নং ৮৩৪/২০২৩ইং করলেও বিবাদী আবদুর রহমান ওরফে প্রিন্স টাকা দেয়ার পরিবর্তে উল্টো মামলায় পাওনাদারকে নাজেহাল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হোসেন ডাইং এর মালিক মোহম্মদ হোসেনের কাছ আবদুল্লাহ ফেবিক্স আব্দুর রহমান ওরফে প্রিন্স বিভিন্ন সময় কাপড় রং করাতেন সেই সুবাদে আব্দুর রহমান উনিশ লক্ষ ৬৫ হাজার পাওনা হলে ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ২শত টাকা পরিশোধ করে তবে বাকি উনিশ লক্ষ টাকা দিতে আব্দুর রহমান তালবাহানা শুরু করতে থাকে। তার পর মোহম্মদ হোসেন তার টাকার জন্য মোহম্মদ হোসেন ডেকে নেন তবে আব্দুর রহমানকে তবে তার চাচা সেটাকে অপহরন চালিয়ে পুলিশ নিয়ে যায় এবং সেই মামলায় ভয় দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা নেয় পুলিশ। তবে মোহাম্মদ হোসেন পাওয়া টাকা না পেয়ে আদালতে একটি মামলাও দায়ের করেন আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে। তবে আব্দুর রহমান পাল্টা মামলা করেন মোহম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজির মামলা করে।

তবে এই চাঁদাবাজি মামলায় অভিযুক্ত মোহম্মদ হোসেন দাবি করেন আব্দুর রহমান মিথা ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে আমার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২ নং আমলী আদালতে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে সেখানে সে উল্লেখ করে আমি নাকি তাকে আটকিয়ে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেছি। এখানে আমার কথা হচ্ছে আমি তো তার কাছেই টাকা পাই কিভাবে আমি চাঁদাদাবি করবো। শুধু তাই নয় গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৪ তারিখে আমাকে ফোন করে হুমকি দেওয়া হয় আমি যেন তার বিরুদ্ধে করা মামলা উঠিয়ে ফেলি। অন্যদিকে আমার বিরুদ্ধে করা ২০ লক্ষ টাকার চাদাবাজির মামলাটি তদন্তের ভার পরে ফতুল্লা থানা এস আই সাইফুল ও এস আই শাহাদাৎ এর ওপর। তবে এই মামলাটি হাতে নেওয়ার পর পুলিশের এই দুই কর্মকর্তা সাইফুল ও শাহাদাৎ তদন্তের নামে বানিজ্যের দিকে ঝুঁকে পরে আমার কাছ থেকে তারা ২ লক্ষ টাকা দাবি করে। যদি ২ লক্ষ টাকা দেয় তাহলে আমার পক্ষে যাবে রিপোট তবে তাদের দাবিকৃত টাকা না দিতে পারায় পুলিশ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা রিপোর্ট পাঠিয়েছে আদালতে। পুলিশ ও এই তদন্তের ঘটনায় ফতুল্লার থানার দুই এসআইকে ২ লাখ দিলে আমাকে এটাও বলেছে আমি যার কাছে টাকা পাই সেই আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে করা জয়ী মামলাটিও উঠিয়ে নিয়ে বলেছে। এই অবস্থায় আমি আমার জীবনের নিরাপত্তাও পাচ্ছিনা যা আমি পুলিশ সুপার সহ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা যারা আছেন তাদের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, ফতুল্লা থানা এড়িয়াতে বিভিন্ন জায়গাতে এস আই সাইফুল ও এস আই শাহাদাৎ এর বিরুদ্ধে রয়েছে নানান অভিযোগ। মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে সোর্সের কাজ করাচ্ছে এমনকি আসামী ধরে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া সহ বিভিন্ন অপরাধের না জড়িয়ে নিজেদের আলোচনায় এনেছেন এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা।

মিথ্যা মামলায় হয়রানী শিকার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমি ন্যায় বিচারের আদালতে গিয়েছি বিবাদীর কাছে পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য। কিন্তু সেখানে আমার বিবাদী টাকা না দেয়ার উদ্যোশে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও আমাকে মুঠোফোনের মাধ্যমে হুমকী প্রদান করছে আমি যেন টাকা ফেরত না চাই। এজন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে মামলায় ফাঁসানোসহ প্রাননাশের হুমকী প্রদান করছে। আবার মিথ্যা মামলার তদন্ত করতে আসা পুলিশকে দাবীকৃত টাকা না দেয়ায় পুলিশও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন পাঠিয়েছে আদালতে। আমি এখন কার কাছে ন্যায় বিচার চাইবো। বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং মহামান্য আদালতের কাছে অনুরোধ করবো তারা যেন আমাকে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে বিবাদী আবদুর রহমান প্রিন্সের কাছে পাওনাকৃত টাকাগুলো উদ্ধারে ব্যবস্থা করিবেন।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মো.সাইফুল ইসলাম এর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,না ভাই তাদের কাছে কোন টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। কে বলে আপনাকে এ ধরনের কথা। ওরা একটি মামলা করেছে যেটা তদন্ত করছে পিবিআই আর আবদুর রহমানের মামলাটি তদন্ত করে আমি তার প্রতিবেদন আদালতে দিয়েছি।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park