বুধবার ( ৫ জুন ) শহরের মিশনপাড়ায় হোসিয়ারি সমিতি মিলনায়তনে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আওতাধীন বিভিন্ন থানা, উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কারা-নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধনা জানিয়ে বরণ করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেন, দীর্ঘ ১৭টি বছর একটি ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী সরকারের কবলে পড়েছে। ১৪ সালে অবৈধভাবে আর ১৮সালে দিনের ভোট রাতে এবং ২৪ সালে শেখ হাসিনা ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। আর আমরা জাতীয়তাবাদী দল সেই নির্বাচন বর্জন করেছি। আর দেশের জনগণকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সেই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করতে বলেন। সারাদেশে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের আহ্বান এদেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। দেশের মানুষ তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সেই নির্বাচন বর্জন করেছেন।
তিনি বলেন, সেই সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক বলেছিলেন আমাদের এই আন্দোলন ও লড়াই ক্ষমতায় আসার জন্য নাই। আমাদের আন্দোলন এদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। এই জুলুম বাজ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন। সেই আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আমাদের স্বেচ্ছাসেবক দলের বহু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার, হামলা মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। শুধু তাই নয় তাদের পরিবারকে অনেক হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলন সংগ্রামের সময়ে নেতাকর্মীরা রাস্তাঘাট, নদী, বন জঙ্গলে পালিয়ে ছিলেন। তবে আন্দোলন সংগ্রামের সময়ে ঠিকই রাজপথে ছিলেন। সাখাওয়াত ও বাবুসহ অনেক নেতাকর্মীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের উপর নির্যাতনের পরেও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি রাজপথে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন তার জন্য আমি মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সকল কারা নির্যাতিত ও হামলা মামলা শিকার সকল নেতাকর্মীদেরকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তিনি আরও বলেন, ১৭বছর ধরে রাজপথে আছি। হামলা মামলা ও গ্রেফতার নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আর তৃণমূল বিএনপি করে বিএনপিকে ভাঙ্গার পাঁয়তারা করেছিলেন। নারায়ণগঞ্জের এক কুখ্যাত নেতা সেই তৃনমুল বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু তারা কিছুই করতে পারেনি। দেশ নায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আজ আরও ঐক্যবদ্ধ ও হিমালয় পর্বতের মত শক্তিশালী। সুতরাং আপনারা কেউ মনোবল হারাবেন না। দলের জন্য আপনাদের যে ত্যাগ তা কখনো বিফলে যাবে না। শেখ হাসিনার পতন হবেই ইনশাল্লাহ। সরকারের একের পর এক দুর্নীতি অনিয়মের মানুষের মাঝে ফুটে উঠতে শুরু করেছে। আগামী দিনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন হবেই হবে ইনশাল্লাহ ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ