1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাইনবোর্ড চাঁদা না পেয়ে ফুডল্যান্ড কারখানায় হামলা, ভাংচুর লুটপাট # ফতুল্লা থানায় অভিযাগ দায়ের ৩৬ বছরে নেই কোন মামলা, নেই কোন বিএনপি’ কর্মসূচীর ছবি // মতি কারাগারে অথচ তার সহযোগী দেলু ভুইয়া বাইরে থেকে বিএনপির নেতা হতে মরিয়া মহান মে দিবসে শ্রমিক সমাবেশে // ঢাকায় সাখাওয়াৎ, টিপু, আসলামের নেতৃত্বে মহানগর শ্রমিকদলের বিশাল শো-ডাউন লৌহজংয়ে গাঁজা ও বিদেশী মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি মোর্শারফ হোসেনের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদকসাইফুদ্দিন মাহমুদ ফয়সালের মে দিবসে ঢাকায় সভা সফল করতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিকদলের ব্যাপক প্রস্তুতি মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি মাসুম প্রধানের শুভেচ্ছা ও সালাম মাসুম প্রধানসহ গোদনাইলের নেতাদের নামে ফেক আইডি দিয়ে অপপ্রচারে // ‘সিদ্ধিরগঞ্জ ব্রেকিং নিউজ’ এর বিরুেেদ্ধ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি ও ব্যবসায়ী নেতারা লৌহজংয়ে মশক নিধনে জনসচেতনতা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন

দুজন আওয়ামীলীগ নেতার ইন্ধনে বেপরোয়া জমির দালাল আলমগীর

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

সম্পত্তি লিখে নিয়ে বৃদ্ধা মাকে নির্যাতন ও মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া কুলাঙ্গার সন্তান, জমির দালাল আলমগীর এবার জন্মদাত্রী মায়ের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী রাধানগর এলাকায়। এ ঘটনায় কুলাঙ্গার ঐ সন্তানকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানায় এলাকাবাসী।
বৃদ্ধা মায়ের সম্পত্তি হজম করতে ও জন্মদাত্রী মাকে মারধরের ঘটনায় আলমগীরের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে স্থানীয় দুইজন আওয়ামীলীগ নেতা। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এ দুজন নানা ফন্দি ফিকির করছে বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে একজন কুলাঙ্গার আলমগীরের নানা শ^শুর, যিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে পর শামীম ওসমানের নেতৃত্ব ত্যাগ করে কবরী বলয়ে যোগ দিয়েছিলেন। অপরজন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক নেতা, যিনি নেতৃত্বে আসতে চায় বলেও জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিজে মা হয়ে সন্তানদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের পরও শামীম ওসমানকে মাইনাস করতে চাওয়া ঐ আওয়ামীলীগ নেতা ও টাকার লোভী অপর আওয়ামীলীগ নেতার ইন্ধনে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে জমির দালাল আলমগীর। এ বিষয়ে প্রশাসনের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, বক্তাবলী ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের মৃত আলাল মাদবর তার স্ত্রী ও পাঁচ সন্তানকে রেখে মৃত্যু বরন করেন। স্বামীর মৃত্যুর পর মা হোসনে আরা বেগম ওরফে হাসনা বানু স্বামীর দেয়া এবং নিজের ক্রয়কৃত চল্লিশ শতাংশ জমির মালিক হন। পরবর্তীতে এই জমিতে ভেজাল আছে এবং এই ভেজাল সংশোধন করার কথা বলে নিরক্ষর সরল-সহজ মা (হাসনা বানু)কে ফতুল্লা সাব রেজিস্টার অফিসে নিয়ে তারই ছেলে জমির দালাল আলমগীর নিজের নামে অর্ধেক জমি এবং এক ভাই ও দুই বোনের নামে বাকী অর্ধেক জমি লিখে নেয়। তবে, তার আরেক ভাই মনির হোসেনকে সম্পত্তি কোনো অংশ দেয়নি চতুর আলমগীর। অথচ মনির হোসেনই বছরের পর বছর প্রবাসে থেকে জমি কেনার জন্য পিতা মাতাকে টাকা পাঠান বলে জানান মা হাসনা বানু। মনির হোসের এখনো একজন প্রবাসী শ্রমিক হিসাবে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বলেও জানান তিনি।
কোটি কোটি টাকার ঐ সম্পত্তি লিখে নিয়ে বৃদ্ধা মাকে নির্যাতন ও বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয় দালাল আলমগীর। এ ঘটনায় গর্ভধারিনী মা কুলাঙ্গার আলমগীর সহ চার সন্তানের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার কাছ থেকে জমি লিখে নেয়ার আগে কুলাঙ্গার আলমগীরসহ চার সন্তানরা তাকে খুবই যতœ করেছে, যা কিনা সম্পূর্ণ অভিনয় ছিলো। বৃদ্ধা হাসনা বানু তাদের অভিনয় বুঝতে পারেননি। কিন্তু প্রতারনার মাধ্যমে জমি লিখে নেয়ার পর গর্ভজাত সন্তান হয়ে আলমগীর এবং নাজির হোসেন তাকে একাধিকবার মারধর করেছে। হাসনা বানু তার জমি ফেরৎ দিতে বললে, কুলাঙ্গার সন্তান আলমগীর মায়ের চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে নির্মম ভাবে মারধর করে। এতে তিনি আহত হয়ে বেশ কিছুদিন অসুস্থ্য হয়ে বিছানায় পরে ছিলেন। পরে তিনি গ্রামের সকল মানুষ এবং গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে এই কুলাঙ্গার পুত্রের বিরুদ্ধে বিচার দাবি করেন। কিন্তু পুত্র আলমগীর কাউকেই পাত্তা দেয়নি। এক পর্যায়ে বৃদ্ধা মা হাসনা বানু বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শওকত আলীর স্বরনাপন্ন হন। শওকত আলীর কাছে বিচার চাইলে চেয়ারম্যান শওকত বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য আলমগীর সহ বিবাধী ছেলে মেয়েদের ডাকলেও তারা চেয়ারম্যানের ডাকে সারা দেয়নি। পরে অসহায় বৃদ্ধা বাধ্য হয়ে নিজের সন্তানদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগের পর দালাল আলমগীরসহ অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লা থানা পুলিশ। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় আসামীরা। পুলিশ ফিরে আসলে আসামী পুত্র আলমগীর, নাজির এবং মেয়েরা রাতেই বাড়িতে ফিরে হাসনা বানুকে এবং হাসনা বানুর বড় ছেলে প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। তখন তারা মনির হোসেনের ঘরের দরজা বন্ধ করে আত্মরক্ষা করে। কিন্তু পরের দিন সকালে আবারও মা হাসনা বানু এবং প্রবাসী বড় ভাই মনির হোসেনের স্ত্রীর উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে। পরে তারা জীবন বাঁচাতে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের আফাজনগরে হাসনা বানুর ছোটো ভাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং বিষয়টি থানায় অবহিত করে মনির হোসেনের স্ত্রী ফতুল্লা থানায় আরো একটি সাধারন ডায়েরী করেন। এলাকাবাসী বলছে, বেপরোয়া আলমগীর আর নজির হোসেন গংদের বিরুদ্ধে এখনই পুলিশ কঠোর ব্যাবস্থা না নিলে বৃদ্ধা মা হাসনা বানু এবং মনির হোসেনের স্ত্রী বাড়ি ফিরতে পারতে পারবে না।
তবে, পুলিশ বলছে, অপরাধী যেই হোক কোনো ছাড় দেয়া হবে না। বৃদ্ধা মার সম্পত্তি লিখে নেয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মফিজুল ইসলাম বলেন, অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে, শীঘ্রই আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত পুত্র আলমগীরকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে সে তার মায়ের কাছ থেকে জমি লিখে নেয়ার কথা স্বীকার করে। কিন্তু জমি ফেরৎ দেয়ার কথাও স্বীকার করে। এছাড়া তার মায়ের কাছ থেকে প্রতারনার মাধ্যমে জমি লিখে নেয়ার কথা অস্বীকার করে এবং মা নিজেই তাকে এবং তাদেরকে জমি লিখে দিয়েছে বলে দাবি করে। পাঁচ ভাই বোনের মাঝে সে একাই কেনো অর্ধেক জমি লিখে নিলো এবং বড় ভাই মনির হোসেনকে কোনো এক শতাংশ জমিও দেয়া হলোনা এই প্রশ্ন করলে সে সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারেনি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park