শীতের শেষে নারায়ণগঞ্জ ও এর আশপাশের এলাকায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে মশার উপদ্রব। দিনে মশার উৎপাত কিছুটা কম থাকলেও সন্ধ্যা নামলেই টিকে থাকা দায়। ভুক্তভোগীরা বলছে, অফিস, বাসাবাড়ি বা দোকান, কোথাও স্বস্তি নেই। গত নভেম্বরের তুলনায় নারায়ণগঞ্জ আশপাশের এলাকায় মশার ঘনত্ব বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। এতে ৯৯ শতাংশ ধরা পড়ছে কিউলেক্স মশা। বাকি ১ শতাংশ এডিস, এনোফিলিস, আর্মিজেরিস, ম্যানসোনিয়া। অধ্যাপক কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, ‘মশার ঘনত্ব জানতে মূলত এই গবেষণা। এর আগে পূর্বাভাসে আমরা বলেছিলাম মার্চে চরমে পৌঁছাতে পারে। সেই পূর্বাভাস সত্যি হয়েছে। কবিরুল বাশার বলেন, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১২৩ প্রজাতির মশার খোঁজ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ঢাকাতেই ১৪টি প্রজাতির মশা পাওয়া যায়। এই মশা সাধারণত পচা পানিতে হয়।
তিনি বলেন, মশা যে শুধু ঢাকায় বাড়ছে তা নয়। সারা দেশে কিউলেক্স মশার উপদ্রব বেড়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টি না হয়, কিউলেক্স মশার উপদ্রব বাড়তে থাকবে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ‘কিউলেক্স মশা প্রজননের ভয়াবহ রূপ ধারণের পূর্বাভাস’ দিয়ে বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কয়েকটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশন।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ