নারায়ণগঞ্জে অগ্নিঝুঁকির কথা চিন্তা করে শহরের অভিজাত ভবনগুলোতে থাকা নামীদামী রেস্তোরাগুলোতে বিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে। মূলত বেইলি রোডের গ্রিন কোজি ভবনে ভয়াবহ আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ও সেই সঙ্গে পরবর্তীতে রাজধানীর ও নারায়ণগঞ্জের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতে বিভিন্ন সংস্থার অভিযানে জরিমানা, সতর্ক করার কারণে বিক্রি নেমে এসেছে অর্ধেকে। বর্তমানে হোটেল-রেস্তোরাঁয় যারা খেতে আসছেন, তারা নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন করছেন রেস্তোরাঁ মালিকদের। ভোক্তারা বলছেন, বেইলি রোডের ঘটনায় যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তাতে প্রিয়জন নিয়ে তারা আর রেস্তোরাঁয় বসার সাহস পাচ্ছেন না। শহরের বালুরমাঠে অবস্থিত বহুতল ভবনের রেস্তোরাগুলোতে সবসময় ভোজনরসিকদের ভিড় লেগেই থাকে। খাবারের সেরা স্বাদ নিতে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ সেখানে যান। গতকাল পুরো ভবনের প্রতিটি রেস্তোরা ঘুরে তেমন ভিড় তো দেখা যায়নি বরং হাতেগোলাম উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে ভবনগুলোতে অগ্নিঝুঁকি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার পাশাপাশি খাবারের সঠিক মান রক্ষায় আবারো সেখানে ভিড় আগের মত বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘বেশির ভাগ রেস্তোরাঁর বিক্রি খুবই খারাপ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি বিক্রি কমেছে। আমরা সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা চাই, সবাই রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির অধীনে আসুক। অর্থাৎ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ছাড়পত্র ছাড়া কেউ ব্যবসা করতে পারবেন না।’
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ