দেওভোগ মাদ্রাসা’র উন্নয়নের জন্য নির্মিত মার্কেট থেকে বিনা নোটিশে মালিক পক্ষকে দোকান ছাড়তে নোটিশ দেয়ায় মাদ্রাসা কমিটির বিরুদ্ধে অনশন করেছেন দোকান মালিকরা।আজ দুপুরে দেওভোগ মাদ্রাসা পাশে অবস্থিত মার্কেটের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন ভুক্তভোগী দোকান মালিকরা।
অনশনকারীরা জানান, দেওভোগ জামি’আ আরাবিয়া দারুল উলূম দেওভোগ মাদ্রাসার উন্নায়নের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার সামনে সড়কের পাশে কিছু দোকান নির্মাণ করা হয়। এসব দোকানের ভাড়া ও জামানতের টাকা সম্পুর্ন মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজে ব্যায় করার কথা উল্লেখ করেন মাদ্রাসা কমিটি। ২০১০ সালে চুক্তিনামা দলিলের মাধ্যমে দোকান বুঝিয়ে দেয়া হয় মালিকদের কাছে। যার একেকটির সালামি বাবদ চার লাখ থেকে সাড়ে লাখ টাকা নেয় মাদ্রাসা কমিটি। এবং এসব দোকানের ভাড়া এক হাজার টাকা ধার্য্য করা হয়েছিল। ভাড়ার টাকা পুরোটাই মাদ্রাসার উন্নয়নে ব্যয় করা কথা। চুক্তিনুযায়ী ৩ বছর পরপর নতুন চুক্তিনামা নবায়ন করা হবে এবং সে সময়কালের বাজারদর হিসেবে ভাড়া কার্যকর করা হবে। তবে ২০১০ সালে যে চুক্তিনামা দলিল করা হয়েছিল সেই চুক্তিনামা আর নবায়ন করা হয়নি। দোকান মালিকদের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে ভাড়াটিয়ারা দোকানে ব্যাবসা বানিজ্য পরিচালনা করে আসছেন। মাদ্রাসার নতুন পরিচালনা কমিটি গঠনের পর দোকান মালিকদের নতুন করে চুক্তি করতে ও ভাড়া বৃদ্ধিতে চাপ প্রয়োগ করে আসছে। গত ৫ মার্চ হঠাৎ করেই মাদ্রাসা কমিটি একটি নোটিশ দেয় আমাদের। যেখানে সালামি বাবদ ৭ লাখ ও মাসিক ভাড়া ৮ হাজার টাকা করে দিতে হবে বলে উল্লেখ করে। অথচ বিষয়টি আমাদের সাথে আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত ঘারের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে মাদ্রাসা কমিটি। যা একেবারেই অনৈতিক। এছাড়াও ভাড়াটিয়াদের ভাড়া মাদ্রাসা কমিটির হাতে দিতে বলেন। এদিকে দোকানের মালিক পক্ষ দাবি করেন, ২০১০ সালে মোট ১কোটি ৯লক্ষ টাকার বিনিময়ে তারা দোকানের দায়িত্ব নেন এবং তখনকার কমিটি তাদের আশ্বাস দেন যে মাদ্রাসার ভবন যতদিন থাকবে এবংকি দোকান হিসেবে যতদিন থাকবে ততদিন বর্তমান দোকানের মালিক যারা আছেন তারাই থাকবেন। কিন্তু বর্তমান কমিটি আমাদের সাথে অন্যায় করছে। এ অন্যায় মেনে নেবো না। প্রয়োজনে আমরা ডিসি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবো।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ