নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবির মিথ্যাচারের নাসিক ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রবির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি’র সাবেক নেতা ও নাসিক ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শামসুদ্দিন শেখ এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি’র সাবেক সদস্য ও নাসিক ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরীবাড়ী ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের সংগ্রামী সভাপতি মাসুম প্রধান।
এক যৌথ বিবৃতিতে বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন শেখ ও মাসুম প্রধান বলেন, গত ২০শে নভেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ নাভানা সিটি মাঠে নারায়ণগঞ্জ -৩ ( সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্বাচনী জনসভায় মনিরুল ইসলাম রবি জেলা বিএনপি’র সংগ্রামী আহবায়ক ক্লীনম্যান খ্যাত অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে নিয়ে মিথ্যে ও উদ্দেশ্যমুলক বক্তব্য দিয়েছেন যা ইতিমধ্যে প্রমানিত হয়েছে। আজহারুল ইসলাম মান্নান নিজেই বিভিন্ন গনমাধ্যমে স্বীকার করেছেন যে, তিনি আমাদের নেতা মামুন মাহমুদকে কোন টাকা দেননি। এদিকে যাকে জড়িয়ে মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিলেন রবি সেই বিডিআর রফিকুল ইসলাম সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে রবির বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার এই বক্তব্য ব্যক্তিগত ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত যাহার কোন সত্যতা নেই। তিনি রবির বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। অন্যথায় দলের মাধ্যমে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এই থেকে প্রমানিত বরি একজন মিথ্যেবাদী, প্রতারক। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য জেলা বিএনপি’র সুযোগ্য আহবায়কের বিরুদ্ধে মিথ্যে ও কুরুচিপূর্ন বক্তব্য রেখেছেন। যা শুধু আমাদের নেতা মামুন মাহমুদকেই নয়, পুরো বিএনপিকে অসম্মানী করা হয়েছে। রবির এই মিথ্যাচারের জন্য তার বক্তব্য প্রত্যাহারই নয়, তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন এবং দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মানহানি করায় তাকে গ্রেফতারেরও দাবী জানান তারা।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ