1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লৌহজংয়ে শুভেচ্ছা ব্যানার টানাতে গিয়ে হামলায় যুবক আহত, থানায় অভিযোগ লৌহজংয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ মুন্সীগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রত্যাহারসহ সাত দিনের আলটিমেটাম দেশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার কাজ করে চলেছে: আব্দুস সালাম আজাদ এমপি তল্লা ও হাজিগঞ্জ এলাকায় // ভয়ংকর মাদক সিন্ডিকেটের লিডার ও দেহ ব্যবসার আড়ালে ব্ল্যাকমেইলিং লৌহজংয়ে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে আলোচনা সভা ও র‍্যালি লৌহজং এসিল্যান্ড অফিসের সহকারী ও গাড়িচালকের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ লৌহজংয়ে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন ঘুষের ভিডিও ভাইরাল, দীর্ঘ দিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতি স্বপদে বহাল কর্মচারী লৌহজংয়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম খানের দাফন

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে জনশূন্য নগরী

দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪

সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ, গুড়ি বৃষ্টি। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথেই দফায় দাফায় চলেছে ভারী বর্ষণ, সাথে যুক্ত আছে প্রচন্ড গতির হাওয়া। প্রায় সব দোকান বন্ধ, সড়কে নেই যানবাহনের চাপ। এমতাবস্থায় জনশূন্য হয়ে পরেছে নগরী এবং আশেপাশের এলাকা।

(২৭ মে) বিকেলে এমনই দৃশ্য দেখা যায় নগরীর চাষাড়া, কালির বাজার, ১নং রেল গেট, ২নং রেইল গেটসহ প্রধান সড়কগুলোতে। বৃষ্টির কারণে চাকরীজীবি ও বিশেষ প্রয়োজন বাদে সড়কে দেখা যায়নি কেউকে। যারা বিশেষ প্রয়োজনে বের হয়েছেন তারা তাড়াহুড়ো করছেন গন্তব্য পৌছানোর জন্য। এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে নগরীর প্রধান সড়কগুলো জমেছে হাটু সমান পানি। জলাবদ্ধতায় বন্ধী হয়েছে সমগ্র নগরবাসী।

এসময় নিজেস্ব দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে ব্যবসায়ি আফজাল আলম জানান, খবরে দেখেছি ঘূর্নিঝড় রেমালের কারণে দেশের সব জায়গায় বৃষ্টি থাকবে। তাও দোকান খুলে বসেছিলাম টুকটাক বেচাকেনার জন্য। সকাল থেকে বসে আছি দোকানে, কোন কাস্টোমার নেই। পরে যতো দিন বাড়লো ততোই বৃষ্টিও বাড়তে থাকলো। দোকাদের ভিতর পানি চলে আসছিলো। তাই দোকান বন্ধ করে বাসায় যাচ্ছি।

কর্মস্থলে যাওয়া সেলিম মাহমুদ জানান, সকাল থেকে বৃষ্টি চলছে কিন্ত হটাৎ করেই বৃষ্টির গতি বেড়ে যায়। আমি যখন বাসা থেকে বের হয়েছি তখন বৃষ্টি কম ছিলো। এখন বৃষ্টি এতে বেড়েছে যে ছাঁতা ব্যবহার করেও শেষ রক্ষ হয়নি। সম্পূর্ন ভিজে গেছি। এই বৃষ্টিতে ভিজলে জ্বর, ঠান্ডার মতো রোগ লেগেই থাকবে। কিন্তু অফিসে ছুটি দেয়নি তাই জীবিকার টানে বাধ্য হয়েই এই ধকল সহ্য করে কর্মস্থলে যাচ্ছি। বৃষ্টি কারণে সড়কে পানি জমেছে, ফুটপাত দিয়েও হাটার অবস্থা নেই। এই সুযোগ নিয়েছে রিকশা চালকরা। সড়কে রিকশা নেই বলেলেই চলে, যারা আছে তারা ২০ টাকা ভাড়া চায় ৪০ টাকা।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park