নিজ নির্বাচনী এলাকাধীন ফতুল্লা ইউনিয়নের ফতুল্লা, লালপুর, পৌষাপুকুর, টাগারপাড়, গাবতলী, ইসদাইর, মডার্ন হাউজিং এলাকায় সৃষ্ট জলাবদ্ধতা আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিরসন হবে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের পানি নিস্কাশনে যে পাম্প চলমান রাখতে হবে, তার লোড বেশী হওয়ায় আরও একটি ট্রান্সফরমার লাগাতে হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। দ্রুত পানি নিস্কাশনের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের চাহিদা মতো একটি ট্রান্সফরমার কিনে দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন সংসদ সদস্য। বুধবার (২৯ মে) বিকেলে ফতুল্লার লালপুর এলাকায় উপস্থিত হয়ে একথা বলেন শামীম ওসমান। এর আগে, জলাবদ্ধতা দুরীকরণে ও পানি নিস্কাশনে নানা পদক্ষেপ নেয়ায় এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানকে।
শামীম ওসমান এ সময় বলেন, আমি দেশের বাইরে থাকায় আপনাদের কিছুটা কষ্ট হয়েছে এজন্য আমি দুঃখিত। আমি আজ সকাল থেকেই অত্র এলাকার পানি নিস্কাশনের লক্ষ্যে কাজ করছি। আমি জানতে পারলাম এখানে একটা ট্রান্সফরমার ছিলো, যা দিয়ে আগে পাম্প চালিয়ে পানি নিস্কাশন করা হতো। কিন্তু এটা নাকি বিদ্যুৎ বিভাগ নিয়ে নিয়েছে। আমি বিদ্যুৎ বিভাগের ফতুল্লার ইঞ্জিনিয়ারের কাছে জানতে চাইলে সে আমাকে বলে, প্রায় ৯০ লাখ টাকার মতো বকেয়া বিল জমে থাকায় ট্রান্সফরমারটি এখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিলো। পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে আমি, আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নতুন ট্রান্সফরমার কিনতে বলি। আমি টাকা রেডি রেখেছি, আগামী ২/১ দিনের মধ্যে ট্রান্সফরমার এসে পড়বে এবং এটা দিয়ে পাম্প চালানো হবে। আশা করি ২/৩ দিনের মধ্যে এই এলাকায় কোনো জলাবদ্ধতা থাকবে না।
তিনি বলেন, ফতুল্লা এলাকার বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া ৯০ লাখ টাকা মওকুফ করতে জ¦ালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে চিঠি দিবো। পাশাপাশি, আগামীতে যে বিদ্যুৎ বিল আসবে তা কিভাবে পরিশোধ করা যায় তা নিয়েও কাজ করবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চন্দন শীল, মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, ফতুল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফাইজুল ইসলাম, ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ নুরে আযম মিয়া প্রমুখ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ