নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল হক বলেছেন, আমি গতকাল রাতে ব্যাবসায়ী সমিতির নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেছি। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য যেন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে এবং ন্যায্য দামে যেন তারা বিক্রি করে। সে ধারাবাহিকতায় আজকে আমরা এখানে খুচরা বাজারে এসেছি। আপনারা জানেন খেসারি ডালের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে। এছাড়া গরু ও মুরগীর মাংসের দোকানে আমরা গিয়েছি।বুধবার (১৩ মার্চ) দুপুরে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি নিয়ন্ত্রণে সদর থানাধীন নিতাইগঞ্জ এলাকায় বাজার মনিটরিংয়ে এসে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। এসময় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের যেন পাকা রশিদ থাকে। পাশাপাশি পন্যের মূল্য তালিকা যেন প্রতিষ্ঠানে রাখে সেটা নিশ্চিত করছি।
খুচরা বাজারে খেসারির ডাল দেখলাম ১৩০ টাকা বিক্রি করছেন। পাইকারি যিনি বিক্রি করছেন তিনি বললেন বগুড়া থেকে এনেছেন তবে রশিদ দেখাতে পারছেন না। কিছু অনিয়ম আছে। রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেন মানুষের নাগালে থাকে। কেউ যেন কোন পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক ভাবে বাড়াতে না পারে সেজন্য আমরা মনিটরিং করছি। তিনি বলেন, গতকাল আমরা ব্যাবসায়ীদের সাথে বৈঠক করেছিলাম। তারা সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে কীনা সেটা দেখতেই এসেছি। বাজার মনিটরিংয়ে আসলেই অনেক দোকানদার চলে যায়। তারা হয়ত বেশি দামে বিক্রি করছে। তবে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ