রোজাদারের পানির তৃষ্ণা মেটাতে ও অন্তরে প্রশান্তি যোগাতে তরমুজই যথেষ্ঠ। ঠান্ডা শরবত কিংবা এক ফালি নিয়ে কামড় দিতেই প্রাণের সতেজতা ফিরে আসবে। আর সেই কারণেই নগরীতে তরমুজ কেনাবেচার হিড়িক পড়েছে। বিক্রেতারা বাড়তি দাম হাকলেও সেই দামেই তরমুজ কিনছেন ক্রেতারা। আজ বুধবার দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর ফলপট্টি, কালির বাজার, চাষাঢ়া, ২ নং রেলগেট এলাকায় বিভিন্ন ফলের দোকানে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। তরমুজ আকার ভেদে ছোট ও বড় এই দুই প্রকারে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। ছোট তরমুজ প্রতি পিছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৫৫০ টাকায়। বড় তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। বিক্রেতারা তরমুজের দাম বেশি চাচ্ছে বলছেন ক্রেতারা। তরমুজ বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারদের থেকে বেশি দামে তরমুজ কিনতে হয়েছে। তাই সংসারের খরচ টানতে বিক্রির সময় দাম কিছুটা বাড়াতে হচ্ছে।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ