1. admin@dailyswadhinbangladesh.com : admin :
  2. n.ganj.jasim@gmail.com : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশ রিপোর্ট
  3. mehedi.hasan.460076@gmail.com : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক: : দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ ডেস্ক:
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
৩৬ বছরে নেই কোন মামলা, নেই কোন বিএনপি’ কর্মসূচীর ছবি // মতি কারাগারে অথচ তার সহযোগী দেলু ভুইয়া বাইরে থেকে বিএনপির নেতা হতে মরিয়া মহান মে দিবসে শ্রমিক সমাবেশে // ঢাকায় সাখাওয়াৎ, টিপু, আসলামের নেতৃত্বে মহানগর শ্রমিকদলের বিশাল শো-ডাউন লৌহজংয়ে গাঁজা ও বিদেশী মদসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি মোর্শারফ হোসেনের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি মহানগর কৃষকদলের সাধারন সম্পাদকসাইফুদ্দিন মাহমুদ ফয়সালের মে দিবসে ঢাকায় সভা সফল করতে নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিকদলের ব্যাপক প্রস্তুতি মহান মে দিবসে সকল শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি মাসুম প্রধানের শুভেচ্ছা ও সালাম মাসুম প্রধানসহ গোদনাইলের নেতাদের নামে ফেক আইডি দিয়ে অপপ্রচারে // ‘সিদ্ধিরগঞ্জ ব্রেকিং নিউজ’ এর বিরুেেদ্ধ ঐক্যবদ্ধ বিএনপি ও ব্যবসায়ী নেতারা লৌহজংয়ে মশক নিধনে জনসচেতনতা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন লৌহজংয়ে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান

না.গঞ্জের বহুতল রেস্তোরা ভবনের ৮৫ ভাগ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

নারায়ণগঞ্জ শহরের বহুতল রেস্তোরাঁ ভবনগুলোর ৮৫ শতাংশ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর এত এত রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাতেগোনা কয়েকটির। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। শহরের বালুরমাঠের রেস্তোরা দিয়ে সাজানো প্রতিটি ভবন পুরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে একটি দুটি সিড়ি থাকলেও কয়েকটির সিড়ি দেখা গেছে দখলে নিয়েছে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাঁচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা। একই অবস্থা বিবি রোডের বেশিরভাগ রেস্তোরার ভবনগুলোরও। শহরে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এক স্থপতি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বাণিজ্যিক ভবনে। তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেত্রে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। শহরে এত এত রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাতেগোনা কয়েকটি। তার সেই সার্টিফিকেটের দেয়া অধিকাংশ শর্তই এখন মানা হয়না। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধার ধারে না কেউ। সম্প্রতি শহরের কিছু বহুতল ভবনের রেস্তোরাগুলো পরিদর্শন শেষে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারি পরিচালক ফখরউদ্দিন জানান, রুফ আসলে থাকে যেকোন দুর্ঘটনায় মানুষ যদি নিচে নামতে না পারে সে ছাদে দিয়ে আশ্রয় নেবে। আমরা দেখলাম রুফটপ দখল হয়ে গেছে এতে করে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে কেউ ছাদে এসে আশ্রয় নিতে পারবেনা।
তিনি বলেন, যদি মানুষ নিচে না নামতে পারে সে উপরে আশ্রয় নেবে এটা কোন প্রতিষ্ঠান দিতে দখল হলে মানুষ আশ্রয় নিতে না পারলে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে এবং সেটি বেইলি রোডের মতই হবে। এর আগে রোববার (৩ মার্চ) বিকেলে শহরের চাষাঢ়া বালুর মাঠ এলাকার প্যারাডাইজ ভবন, এমডি স্কয়ার, মনির টাওয়ারে এ তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসকল ভবনে নামীদামী খাবারের দোকানগুলো রয়েছে। অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি ভবনে গিয়ে সেখানে দেখা গেছে কোথাও কোথাও অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র নেই, যেগুলো আছে সেগুলোও মেয়াদোত্তীর্ণ, অনেক রেস্টুরেন্টে রান্না ঘরে গাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে, সিড়িতেও পাওয়া গেছে সিলিন্ডার, কয়েকটি ভবনে নেই জরুরি বহিগমন ব্যবস্থা (ইমার্জেন্সি এক্সিট)। এসব বিষয় প্রত্যক্ষ করে দ্রুত এসব বিষয় সমাধানে সময় দিতে সতর্ক করা হয় মালিকদের। অভিযানে অংশ নেয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শেখ মোস্তফা আলী জানান, আমরা ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ টিম এ অভিযান পরিচালনা করছি। আমরা চাষাঢ়া বালুর মাঠ এলাকার প্যারাডাইজ ভবন, এমডি স্কয়ার, মনির টাওয়ারসহ কিছু ভবনে ঘুরে প্রতিটি রেস্টুরেন্ট ও ভবনের ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষন করি। কোথাও কোথাও অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র নেই, কয়েকটিতে যেগুলো আছে সেগুলোও মেয়াদোত্তীর্ণ। আমরা বলেছি যেন দ্রুত অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র ব্যবস্থা করা হয় এবং ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এখানে আছে তাদের সাথে সমন্বয় করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক রেস্টুরেন্টে রান্না ঘরে গাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা বলেছি যেন নিচে এবং নিরাপদ দূরত্বে গ্যাস সিলিন্ডার রেখে ব্যবহার করা হয় এবং এ ব্যাপারে আমরা জোর দিয়েছি। কয়েকটি ভবনে নেই জরুরি বহিগমন ব্যবস্থা (ইমার্জেন্সি এক্সিট) সেটিও দ্রুত কিভাবে করা যায় সে ব্যাপারেও দিক নির্দেশনা দিয়ে করতে বলা হয়েছে। তবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হলেও এখন পর্যন্ত কোন রেস্তোরা কিংবা ভবনের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থাকোন কর্তৃপক্ষকে নিতে দেখা যায়নি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ

প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park