মরহুম একেএম শামসুজ্জোহার নাতি ও এমপি শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন বলেছেন, আমার জন্মের ঠিক ১বছর আগে আমার দাদা মারা যায়। আমার চাচাতো জেঠাতো ভাই বোন যারা আছে অধিকাংশই আমার দাদাকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে, কিন্তু আমার হয়নি। উনার কাহিনী শুনেই বড় হয়েছি। দাদুর যেই ত্যাগ তিতিক্ষা ছিলো, দেশের প্রতি যে ভালোবাসা ছিলো, সেভাবেই নিজেকে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। কতটুকু পারি জানিনা, তবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। আমরা যথনই পরিবারের ভাইবোন সবাই একসাথে হইতাম, তখন আমার দাদি গল্প করতো আমাদের সাথে। আমরা দাদি সব সময় বলতো ‘অয়নের সাথে হুবহু মিল আছে ওর দাদার’। মাঝে মাঝে আমার কথায় বা আমার চাল চলন দেখে আমার দাদি আমাকে বলতো ‘দেখো পুরো জ্জোহা সাহেবের মতো করছে’। দাদার ব্যাপারে যখনই কোন গল্প শুনি তখই আবেগে আপ্লæত হয়ে যাই। দাদা যদি থাকতো, তাহলে হয়তো এখন কাজ গুলো বা সামনে এগুতে আরও সহজ হয়ে যেতো।
সোমবার (১৯ ফেব্রæয়ারি) ভাষা সৈনিক একেএম শামসুজ্জোহার মৃত্যুবাষির্কী উপলক্ষে এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। অয়ন ওসমান বলেন, এখন দেখি আমার বাবার সাথে আমার ছেলে যে সম্পর্ক, দেখে আলহামদুলিল্লাহ বলি আবার মাঝে মাঝে হিংসেও হয়। কারণ এই আদরটা আমি পাইনি।
তিনি বলেন, আমরা যখন ছিলাম না, তখনও আমার দাদার মৃত্যুবার্ষিকী এলাকাবাসী করে আসছে, পালন করেছে। যারা আমার দাদার সাথে রাজনীতি করতো আমার দাদাকে ভালোবাসতো তারাই মূলত মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতো। বিএনপি সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছিলো তারা তখন বাধা দেয়, তবুও আমার দাদাকে যারা ভালোবাসতো তারা ঠিক এই কর্মসূচি পালন করতো। সাংবাদিকদের মাধ্যমে সবাইকে আমার দাদার দোয়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ