নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ৭ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের আইন অনুযায়ী, কোনো আসনের মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের বা শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের চেয়েও কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানত বাতিলের বিধান রয়েছে।
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন (২০২৪) এর ভোটগ্রহণ করা হয় ৭ জানুয়ারি (রবিবার)। রাতে ভোটগণনা শেষে এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত (নৌকা) প্রার্থী শামীম ওসমানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তিনি পেয়েছেন, ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮২৭ ভোট। এ ছাড়া বাকি কেউই নূন্যতম ১২.৫% ভোট পাননি, যার ফলে তাদের জামানতের ২৫ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইলেকশন কমিশন (ইসি)।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন, সোনালী আঁশ প্রতীকে তৃণমুল বিএনপির মো. আলী হোসেন ভোট পান ১৯৮৭। ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্টির মো. গোলাম মোর্শেদ রনি ৫৫১ ভোট পান। মশাল প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের মো. ছৈয়দ হোসেন ১ হাজার ২৩ ভোট পান। গোলাপ ফুল প্রতীকে জাকের পার্টির মো. মুরাদ হোসেন জামাল পান ৭ হাজার ২৬৯ ভোট। আম প্রতীকে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মো. শহীদ উন নবী পান ৭২৭ ভোট। একতারা প্রতীকে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বি.এস.পি) মো. সেলিম আহমেদ ১ হাজার ৪১৮ ভোট পান। চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. হাবিবুর রহমান ১ হাজার ৯৫৫ ভোট পান।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ