রূপগঞ্জের এশিয়ান হাইওয়ের পাশ থেকে অজ্ঞানতনামা ব্যক্তির চোখ উপড়ানো লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা,গাজীপুরের টঙ্গী, লক্ষীপুর রায়পুর এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ড পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- মো. নিজাম উদ্দিন (৩৬), মো. সোহাগ (৩৮), জহিরুল ইসলাম (৪৮), রনি হোসেন (২৩) ও বাদশা (২৩)।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর কারওয়ানবাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে, ৯ জানুয়ারি সকালে রূপগঞ্জের এশিয়ান হাইওয়ে রাস্তার পাশে একটি চোখ উপড়ানো অজ্ঞাতনামা মরদেহ দেখে স্থানীয় লোকজন নিকটস্থ র্যাব ক্যাম্পে জানান। র্যাব-১১-এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিকভাবে মরদেহের সঙ্গে থাকা মানিব্যাগে বিভিন্ন নথিপত্র এবং ও আইভিএস ডিভাইসের মাধ্যমে অজ্ঞাতনামা মরদেহের নাম-পরিচয় শনাক্ত করেন। পরে ভিকটিমের পরিবারে মরদেহটি শনাক্ত করে এবং ভিকটিমের মা বাদি হয়ে রূপগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেছেন, যাত্রীবাহী বাসের কাউন্টারে চাকরি সূত্রে দুজনের পরিচয় ও দুইজনের মধ্যে আর্থিক লেনদেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার জেরে বাগ-বিতন্ডা, শেষ পর্যন্ত এর জেরে চোখ উপড়ে নিয়ে নৃশংস হত্যা করা হয়। হত্যাকান্ডে জড়িতদের ধরতে গোয়েন্দা নজরদারির ধারাবাহিকতায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. নিজাম উদ্দিনসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকান্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ