ছোট বেলায় বাবা মারা যায়। সাত বছর বয়সে মা প্রবাসে চলে যায়। বড় ও মেজো বোনের কাছেই বেড়ে উঠেন গোলাম রাব্বি (২২)। একপর্যায়ে দুই বোনেরও বিয়ে হয়ে যায়। মেজো বোনের শ্বশুর বাড়ি দূরে থাকলেও বড় বোন রাব্বির কাছেই থাকতেন। কিশোর থেকে যুবক হতেই গোপনে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু বেকারত্বের কারণের হতাশতায় ভুগতেন সব সময়। বিয়ে করলেও নিজের বউকে বাসায় আনতে পারেনি বেকারত্বের কারণে। এতে হতাশ হয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন গোলাম রাব্বি। গত বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে বন্দর থানার চিতাশাল দীঘিরপাড় এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনার্চজ) গোলাম মোস্তফা। নিহত গোলাম রাব্বি বন্দর থানার চিতাশাল এলাকার মৃত মোশারফ মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন।
বন্দর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবু বকর সিদ্দিক জানান, আমরা ঘটনার খবর পেয়ে গিয়ে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করি। পরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করি। এই ঘটনায় নিহত গোলাম রাব্বির ভগ্নিপতি সুমন বাদি হয়ে বন্দর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানতে পারি ছোট বেলায় বাবা মারা যায়। সাত বছর বয়সে মা প্রবাসে চলে যায়। বড় ও মেজো বোনের কাছেই বড় হয় নিহত গোলাম রাব্বি। দুই বোনেরও বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর। নিহত যুবক গোপনে বিয়ে করেন, এখনো তার বিয়ে করার তথ্য আমরা পাইনি। কিন্তু বেকারত্বের কারণের হতাশতায় ভুগতেন সব সময়। বিয়ে করলেও নিজের বউকে বাসায় আনতে পারেনি বেকারত্বের কারণে। এতে হতাশ হয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। ময়না তদন্তের রির্পোট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ