নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা ধানাধীন ইসদাইর শাহী জামে মসজিদ এলাকায় প্রতিনিয়ত বসছে গাজার আসর। মসজিদের মোতাওয়াল্লী রমজান প্রধান ও আনোয়ার প্রধানের চাচাতো ভাই জামালের বাড়িতে মাদকের এ আসর বসে বলে জানা গেছে। এখানে প্রতিদিনই স্থানীয় ও বহিরাগত বখাটে সন্ত্রাসীরা এ গাজার আসরে বসে মাদক সেবন করছে।
রাত বাড়লেই জমে উঠে গাঁজার আসর। জামালের বাড়িতে হয় গাজা সেবন। জামাল সহ তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা দিনে দুপুরেও দেদারছে মাদকের ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে, জামালের পরিবার শক্তিধর হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। স্থানীয়রা বলছে, জামালের এক চাচাতো ভাই নিজেই ইসদাইর শাহী মসজিদের মোতাওয়াল্লী। এই মসজিদের পাশেই জামালের বাড়ি, যেখানে দিনরাত ২৪ ঘন্টাই বসে মাদকের আসর। নিজ পরিবারের লোক হওয়ায় মসজিদের মোতাওয়াল্লী রমজান প্রধান ও তার ভাই আনোয়ার প্রধানও নিরব।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, জামালের বাড়িতে দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই মাদকের আসর। যেখানে গাঁজা সেবনকারী সংখ্যা বেশী হলেও হিরোইন, ইয়াবাসহ সকল ধরনের মাদক বেচাকেনা হয় এই বাড়িতে। মাদক সেবনকারীরা মাদক সেবনের পর এলাকায় ইভটিজিং, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। প্রায়ই অপরাধীদের খপ্পরে পড়ে নি:স্ব হচ্ছে এখানকার বাসিন্দারা, তবে অপরাধীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না।
কেউ বাধা দিলে তাকে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি সহ নানাভাবে হয়রানী করার খবরও পাওয়া গেছে। তারপরও কেউ বাধা দিলে তার উপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ, লাঞ্ছিত হতে হয় বাধাদানকারীদের।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী বলছে, জামাল ও তার বাহিনীকে অচিরেই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হলে যুবসমাজ ধ্বংসের পথে চলে যাবে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য সহ, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ