নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা গোগনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ড রুবেল মেম্বার এক মূর্তিমান আতঙ্ক যার নামে হত্যা সহ একাধিক মামলা রয়েছে সেই আলোচিত রুবেল মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয় প্রকল্পের ঘর বিক্রি কান্ডের পরে এবার নারায়ণগঞ্জ সদর মডের থানায় রুবেল মেম্বারকে প্রধান আসামী করে ৬/৭ জনের নামে পাচঁ লাখ টাকার চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় আমাকে হুমকি দামকি প্রদান করে।
আবুল আহসান বাদী হয়ে ১। রুবেল(৪৬) (মেম্বার), পিতা-মৃত কাদির, ২। ইমরান(৩০), পিতা-কাশেম, ৩। আবু কাশেম(৪৫), পিতা-মৃত আশেক আলী, ৪। সাদ্দাম(৩৫), পিতা-মৃত ওহাব আলী, ৫। শুভ(৩৫), পিতা-মৃত সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে যানাযায়, সৈয়দপুরা আবুল আহসান এর পৈত্রিক সম্পত্তি সৈয়দপুর মৌজাস্থিত ৪ শতাংশ জায়গা ৬(ছয়) মাস পূর্বে বায়না সূত্রে নুরু মিয়া (বাবুর্চি) কাছে বিক্রয় করিয়া বুঝাইয়া হয় এবং গত ১(এক) মাস যাবৎ নুরু মিয়া উক্ত স্থানে বাড়ি নির্মানের কাজ শুরু করেন কিন্তু হঠাৎ করেই ২৬ মার্চ দুপুরে রুবেল মেম্বার সহ ও তার বাহিনী মিলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও হামলা চালায় এবং নির্মানাধীন শ্রমিকদের মারধরের চেষ্টা চালিয়ে সকলকে তাড়িয়ে দেয়। নির্মান কাজ সম্পূর্ন রূপে বন্ধ করে দেয়। এবং আমাকে হাতুরী দিয়ে প্রানে মেরে ফেলার জন্য হুমকি প্রধান করে এবং উক্ত নুরু মিয়া বাবুর্চির ক্রয়কৃত ৪(চার) শতাংশ জমি দখল মুক্ত করে চলে না গেলে নুরু মিয়া বাবুর্চিকে প্রানে মারিয়া ফেলিবে বলে হুমকি দমকি প্রদান করে । আর না হলে পাচঁ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন রুবের মেম্বার।
এদিকে স্থানিয় সুত্রে যানাযায়, রুবেল মেম্বারের বিরুদ্ধে রয়েছে একার্ধীক মামলা ও অভিযোগ। গোগনগরে ৯নং ওয়ার্ড এর সাবেক মেম্বার ও জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি দৌলত হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামী এবং গরীব ও অসহায় মানুষের প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উপহারের ঘর আশ্রয় প্রকল্পের ঘর বিক্রির নামে হাতিয়ে দিয়েছে লাখ লাখ টাকা সর্বশেষ সৈয়দপুর মজিবনগর দুই শিশু ধর্ষনের ঘটনায় আসামীকে আইনের আওতায় না এনে নিজে বিচার করে তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগীতা করেন যাকে জেলা পিবিআই সিলেট থেকে আটক করে নিয়ে আসে ও আইনের আওতায় আনা হয়।
অভিযোগকারী আবুল আহসান জানান, সম্পত্তি তারা দখলের চেষ্টা করছে। গতকাল আমার রাজমিস্ত্রির সহ সকলকে মেরে জায়গা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে এবং কাজ বন্ধ করছে রুবেল মেম্বার। আজকে সকালে ওসি সাহেবকে সবটা জানালে তিনি বলেন আমি দেখছি। আমার জায়গা রুবেল মেম্বার দখল নিতে নিজেদের লোকদের বাউন্ডারি দেওয়াচ্ছে তাই ওসি সাহেব বলেছে সকলে কাজ বন্ধ রাখেন আপনারা জমির কাগজ নিয়ে আসেন দেখি কার কি হয়েছে। কিন্তু রুবেল মেম্বার থানায় বসবে না তিনি বলেন বাপ্পি মেম্বার এর এলাকায় গিয়ে বসতে কিন্তু আমি সেখানে যাব কেন। আমি আমার জায়গা ফেরত চাই ও এ ঘটনা সঠিক বিচার চাই।
এবিষয়ে গোগনগর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার রুবেল এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মুঠোফোন ১০/১৫ বার কল দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।
ঘটনা তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই মোঃ ফারুক জানান, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে এসেছি বর্তমানে কাজ বন্ধ আছে। আমি দুই পক্ষকে থানায় ডেকেছি যদি তারা না আসে আমি আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব আইনের বাইরে কেউ নাহ।