বন্দরে আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী শেফালী ওরফে গঞ্জিকা শেফালি ৬ কেজি গাঁজা সহ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও তার ডান হাত বলে চিহ্নিত অপর মাদক ব্যবসায়ী সবুজ ওরফে পেইট্রা সবুজ এখনো বেপরোয়া মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
সবুজ বন্দর রাজবাড়ী এলাকার শহিদ মিয়ার ছেলে। বর্তমানে সবুজ বন্দর আমিন আবাসিক এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে। বিগত ২২ শে ফেব্রুয়ারি সবুজের মাদক ব্যবসার পার্টনার শেফালীকে গ্রেপ্তার করা হলেও সবুজ দিব্যি গাজা ও ইয়াবার ব্যবসা করে যাচ্ছে বন্দর আমিন আবাসিক,রুপালি, বাবুপাড়া, জামাইপাড়া ও রাজবাড়ী সহ বন্দরের বিভিন্ন এলাকায়। সবুজ এসকল এলাকায় বিকেলের পর থেকে বাইকে করে মাদক পৌঁছে দেয় নির্দিষ্ট কাস্টমারদের কাছে। বিগত কয়েক বছর আগে সবুজ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছিল ইয়াবা সহকারে। এর পর থেকে এলাকায় ফিরে এসে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির সোর্স পরিচয় দিয়ে বেপরোয়া মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে সবুজ। ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে শেফালীকে গাজা সহ পুলিশ গ্রেফতার করলে মাদক ব্যবসায়ী সবুজকে সেরাতে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে শেফালিকে ছাড়াতে তদবির করতে দেখা যায়। স্থানীয় যুবকদের বরাতে জানা যায়, শেফালিকে গ্রেফতার করার কিছুক্ষন আগে সবুজ শেফালির বাড়িতে প্রবেশ করে মাদক দ্রব্য সরিয়ে নিজের কব্জায় নিয়ে যেতে পারে ধারণা তাদের, না হলে আরও বেশি মাদক উদ্ধার করতে পারতো পুলিশ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমিন আবাসিক এলাকার কয়েকজন যুবক জানান, মাদক ব্যবসায়ী সবুজ অনেক কৌশলী তার মাদক ব্যবসায় অতিষ্ঠ বন্দর বাসী৷ চুন থেকে পান খসলেই সবুজ প্রশাসনের ভয় দেখায়। অবিলম্বে সবুজকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।