ফতুল্লা থানার উত্তর কাশীপুর এলাকায় প্রায় দুই হাজার লোকের চলাচলের জন্য রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে এক ভ‚মিদস্যু। সড়কের পাশ ঘেঁষে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মান করায় দেয়াল টপকে যাতায়াত করতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। তবে, লম্বা এই দেয়াল টপকে যুবকরা যাতায়াত করতে পারলেও বয়স্ক, শিশু ও নারীরা কোনভাবেই বাড়ি থেকে হতে পারছেন না। তাদেরকে প্রায় দেড় কিলোমিটার ঘুরে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে প্রায় দুই হাজার গ্রামবাসীকে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, প্রায় দশ বছর যাবৎ এ রাস্তা দিয়ে আমরা চলাফেরা করি। আমাদের বাচ্চারা স্কুল-কলেজে যায়। এই এলাকায় মুসল্লীরা মসজিদের নামাজ আদায় করতে চলাচলের জন্য এ সড়কটি ব্যবহার করে। রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে এখন সবই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মুসল্লীরা নামাজ পড়তে যেতে পারছে না। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ দেয়াল টপকেই যাচ্ছে। তবে মহিলা ও বয়স্কদের পক্ষে দেয়াল টপকানো কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। সড়কের পাশ ঘেঁষে দেয়াল নির্মান করে মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দিলেও তাতে কোন মাথা ব্যাথা নেই স্থানীয় জনপ্রতিনিধির।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইফুল্লাহ বাদল সুস্থ থাকলে এভাবে কোন ভ‚মিদস্যু চলাচলের পথ বন্ধ করে দিতে সাহস পেতো না। রাস্তার জায়গা ব্যক্তি মালিকানা হলেও মানুষের স্বার্থে রাস্তার জন্য কিছু জমি বিক্রি অথবা দান করা যায়। এভাবে একটি মহল্লার সবাইকে কষ্ট দিয়ে চলাচলের সড়ক বন্ধ করা কোনভাবেই কাম্য নয়।
এ বিষয়ে কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড এর সদস্য ইমদাদুল হক খোকা জানান, রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে প্রায় হাজারখানেক মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। তারা প্রভাবশালীদের সাথে পারছেন না। তবে বিকল্প রাস্তা তৈরি করতে হবে। যেহেতু এটি আমার ওয়ার্ড আমি চেষ্টা করবো আমার চেয়ারম্যানের সাথে আলোচনা করে মানুষের জন্য চলাচলের সড়ক তৈরি করার।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক স্বাধীন বাংলাদেশ